জনগণের ভোট চুরি করলে ক্ষমতায় থাকা যায় না: শেখ হাসিনা

ডেস্কনিউজঃ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালে একটা ভোটারবিহীন নির্বাচন করেছিল। কারণ তার ইচ্ছা ছিল কোনোমতে জনগণের ভোটটা চুরি করে সে ক্ষমতায় টিকে থাকবে। কিন্তু চুরি করা সম্পদ যে ধরে রাখা যায় না, জনগণের ভোট চুরি করলে আর ক্ষমতায় থাকা যায় না- সেটা সে বুঝতে পারেনি।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী যুবলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে কর্নেল রশীদ এবং মেজর হুদা- একজনকে কুমিল্লা থেকে আরেকজনকে চুয়াডাঙ্গা থেকে সেই ভোটারবিহীন নির্বাচনে নির্বাচিত ঘোষণা করে পার্লামেন্টে এনে বসায়। আর জিয়াউর রহমান যেমন ওই রাজাকার-আলবদর বাহিনী এবং যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিয়ে তাদেরকে মন্ত্রী, উপদেষ্টা করেছিল খালেদা জিয়াও সেই একই পদাঙ্ক অনুসরণ করে- সেই যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী বানায় এবং ক্ষমতায় বসায়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৫ ফেব্রুয়ারির সেই ভোট চুরির নির্বাচন খালেদা জিয়া টিকিয়ে রাখতে পারেনি। ভোট চুরির অপরাধে এই বাংলাদেশের মানুষ আন্দোলন গড়ে তোলে এবং খালেদা জিয়া বাধ্য হয় ৩০ মার্চ ৯৬-এ পদত্যাগ করতে। গণআন্দোলনের মুখে খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেছিল- এটা বোধহয় দেশবাসীর মনে রাখা উচিত। ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোট চুরি করে নির্বাচিত ঘোষণা করেছে নিজেকে। তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছে। আর ঠিক তার দেড় মাসের মধ্যে তাকে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যেতে হয়েছে।’

বিপুল/৮ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ |রাত ১১:৫০

শেয়ার করুন