‘আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে, একজনকে চিনতে পেরেছি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্র সংসদের প্রধান ঐশী ঘোষকে মারতে মারতে হামলাকারীরা বলেছিলেন, মেরেই ফেলবো, কেটেই ফেলবো …।’ সেই হামলার জন্য বুধবার আরেকবার অভিযোগ করলেন ঐশী। তার অভিযোগ, আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখনো কোনো পুলিশ কর্মকর্তা এসে আমার বয়ান রেকর্ড করেনি। তাই আমি আবার অভিযোগ করলাম। আশা রাখি অভিযুক্তরা সাজা পাবে। 

দিল্লি পুলিশকে আজ বুধবার তিনি নতুনভাবে যে লিখিত অভিযোগ করেছেন তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০-৩০ জন আমাকে টেনে-হিঁচড়ে একটা গাড়ির পেছনে নিয়ে গিয়েছিল। লোহার রড আর লাঠি দিয়ে এত পেটাচ্ছিল যে আমি নিশ্চিত ছিলাম পিটিয়ে মেরে ফেলাই ওদের উদ্দেশ্য। তিনি আরো অভিযোগ করেন, আমি অনেকবার অনুনয়-বিনয় করলাম, আমাকে ছেড়ে দাও। আমি উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছি। কিন্তু ওদের মারের চোটে বারবার পড়ে যাচ্ছিলাম। আমাকে অনবরত মাথায়, বুকে, কোমরে মারা হচ্ছিল। এমনকি, মারতে মারতে ওরা বলছিল, মেরেই ফেলবো, কেটেই ফেলবো। মারের চোটে ক্রমাগত আমার মাথা, হাত আর কনুই থেকে রক্ত ঝরতে শুরু করে; কিন্তু ওদের মার বন্ধ হয় না। কয়েকজন আমার উদ্দেশে অশালীন মন্তব্যও করেছে।

ঐশী অভিযোগ করেছেন, আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। মুখোশহীন একজনকে চিনতে পেরেছি। এমনকি জখমদের উদ্ধারে আসা অ্যাম্বুলেন্সের পথ যখন আটকে দেওয়া হয়েছিল, তখন জেএনইউ’র মূল প্রবেশদ্বারে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকজন পুলিশ, সেই অ্যাম্বুলেন্সের পথ তৈরি করে দিতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলেও লিখিত অভিযোগে দাবি করেন ঐশী। তার আরো অভিযোগ, আমার বিরুদ্ধে হামলা হতে পারে এমন আশঙ্কা করে আমি পুলিশের কাছে জানিয়েছিলাম। কিন্তু ওদের তরফে কোনো সদুত্তর পাইনি।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং /রাত ৮:৩১

শেয়ার করুন