তিস্তার পানি বন্টনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখতে পারে …..(কৃষি মন্ত্রী)

মির্জাপুর ( টাঙ্গাইল )প্রতিনিধি : কৃষি মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আব্দুল রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে তিস্তার পানি বন্টনে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আরো বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখতে পারে। ব্যপারে কেন্দ্রীয় সরকার ইচ্ছে করলে  সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে।  রোববার রাতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার নীজ বাড়ির পূজামন্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রী আরো বলেন, সারা ভারতবর্ষের মানুষ চায় তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন হোক। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সম্মতি না দেয়ায় এখনো তা হচ্ছেনা। আমরা আশা করি খুব শীগ্রই মুখ্যমন্ত্রী এব্যাপারে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করবেন।  এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মালেক, সহকারী কমিশনার (ভুমি ) মো. মঈনুল হক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠিনিক সম্পাদক সুভাষ সাহা, মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শিপলু প্রমুখ।

রোববার রাত সোয়া ১১ টার দিকে মন্ত্রী কুমুদিনী হাসপাতালে পৌছালে তাকে স্বাগত জানান কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রাদ সাহাসহ কুমুদিনী পরিবারের কর্মকর্তাবৃন্দ। কৃষি মন্ত্রী বলেন, যে আদর্শ এবং উদ্ধেশ্য নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেই আদর্শ থেকে একটুও বিচ্যুত হয়নি। আওয়ামী লী গসবসময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতীতে বিশ্বাস করে। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের মাধ্যমে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সেই সম্প্রিতী ধরে রেখেছে।  মন্ত্রী বলেন, ফেণী নদীর পানি ভারতকে দিলে আমাদের দেশের ক্ষতির কিছু নেই। আমাদের দেশের বৈজ্ঞানিকরা এব্যাপারে অভিমত দিয়েছেন।কৃষি নির্ভর আবাদি জমিতে যত্রতত্র ইটভাটা স্থাপন সম্পর্কে কৃষি মন্ত্রী বলেন, ইটভাটা স্থাপনের এই নিয়ম থাকবেনা। আইন হয়েছে, নতুন নিয়মে ইটভাটা স্থাপন বাস্তবায়ন করা হবে।

 

 

কিউটিভি/আয়শা/৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং /বিকাল ৪:০৩

শেয়ার করুন